Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

শরীরের ওজন ও জলের প্রয়োজনের মধ্যে সংযোগ


শরীরের ওজন ও জলের প্রয়োজনের মধ্যে সংযোগ 



লাইফস্টাইল ডেস্ক, ২৪ জুলাই: হাইড্রোথেরাপি বা ওয়াটার থেরাপি সম্পর্কে শুনেছেন বা পড়েছেন নিশ্চয়ই? উত্তর যদি হয় হ্যাঁ, তবে আপনি অবশ্যই জানেন যে, জল সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে এটি কীভাবে ওষুধ হিসাবে কাজ করে। আর আপনি যদি হাইড্রোথেরাপি সম্পর্কে না জানেন, তবে এই প্রতিবেদনে জেনে নিন। কারণ সঠিক পরিমাণে জল পান করাও ওয়াটার থেরাপির একটি অংশ। জল থেরাপি বিভিন্ন উপায়ে করা হয়।  


জেনে অবাক হতে পারেন, কিন্তু গত কয়েক বছরে বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে যে সঠিক সময়ে সঠিক উপায়ে জল পান করলে আপনার ওজন কমানো যায় এবং নিয়ন্ত্রণেও রাখা যায়। আবার ভুল সময়ে জল পান করলে ওজন বাড়ার সমস্যাও হতে পারে। তাহলে প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক স্থূলতার সাথে জলের সম্পর্ক।


খাবারের আগে নিয়মিত দুই কাপ জল পান করলে বছরে ৫ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো যায়। এখানে দুই কাপ অর্থাৎ প্রায় আধা লিটার জলের কথা বলা হচ্ছে। কারণ একটি বড় কফি মগে প্রায় ২৫০ মিলি দুধ বা জল ধরে। তবে এর মানে এটা নয় যে, খুব ক্ষুধার্ত হলেই জল পান করা শুরু করে দেবেন বরং খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এই জল পান করা উচিৎ।


আপনি যদি আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিদিন জল পান করেন, তাহলে আপনি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। কারণ সঠিক পরিমাণে জল খাওয়া ক্ষিদে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 

আপনি যদি খাওয়ার সময় বা খাবার খাওয়ার পরপরই এক গ্লাস জল পান করেন বা দুই চুমুকের বেশি জল পান করেন, তাহলে আপনার ওজন বৃদ্ধি এবং পেট ফাঁপা সংক্রান্ত সমস্যা শুরু হবে।


সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয় যে, আপনাকে প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস জল পান করা উচিৎ। এই পরামর্শ ইন-জেনারেল দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি যদি জানতে চান দিনে কতটা জল পান করা উচিৎ, তাহলে এই সূত্রটি অনুসরণ করুন-

আপনার শরীরের ওজন পরিমাপ করুন।

 আপনার ওজন ৩০ দিয়ে ভাগ করুন। যে উত্তর আসে তা হল আপনার দিনে কত লিটার জল প্রয়োজন।

যেমন- আপনার ওজন যদি ৬০ কেজি হয় এবং আপনি ৩০ দিয়ে ভাগ করেন তবে আপনি ২ পাবেন। অর্থাৎ দিনে দুই লিটার জল আপনার পান করা উচিৎ।


No comments: