Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

কাঁচা দুধ দিয়ে রোদের পোড়া ভাব কমানো সম্ভব সহজেই







ত্বক ভাল রাখতে আপনি হাজারও প্রসাধনী ব্যবহার করেছেন, অথচ লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না! গরমে রোদে পুড়ে ত্বকের একেবারে বেহাল দশা। সমাধান কিন্তু আপনার হাতের কাছেই রয়েছে। ত্বকের নানা সমস্যায় ভরসা রাখতে পারেন কাঁচা দুধে। প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চার অন্যতম প্রধান উপকরণ হিসাবে কাঁচা দুধের জুড়ি মেলা ভার।


আসলে কাঁচা দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ল্যাকটিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ ও ভিটামিন ডি। এই ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে করে তোলে সতেজ। এমনকি, ত্বকে যদি কোনও রকম কোনও প্রদাহও তৈরি হয়, তাহলে সেটাও কমাতে পারে কাঁচা দুধ। এ ছাড়া ত্বক রোদে পুড়লে তার উপর যদি ঠান্ডা কাঁচা দুধ লাগানো যায়, তাহলেও মেলে আরাম।


আর কী কী ভাবে ত্বকের উপকারে লাগে কাঁচা দুধ?


বাজারচলতি রাসায়নিকযুক্ত ক্লেনজার ব্যবহার করতে চান না? ভরসা রাখুন কাঁচা দুধে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন ই, যা ত্বকের মৃত কোষ দূর করার জন্য দারুণ উপকারী।


মুখে বয়সের ছাপ পড়তে দিতে চান না? রোজকার রূপরুটিনে রাখুন কাঁচা দুধ। এটি ত্বককে বলিরেখার হাত থেকে বাঁচায়।


 কোনও প্রসাধনী না মেখেই উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান? মুখের ত্বকে মাখুন কাঁচা দুধ। কাঁচা দুধ ও মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মোলায়েম।

কাঁচা দুধ ভীষণ ভাল ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে। এটি ত্বকের গভীরে ঢুকে আর্দ্রতা ধরে রাখে। শুষ্ক ত্বকের জন্য হেঁশেলের এই উপাদানটি দারুণ উপকারী।


৩) দুধে ল্যাকটিক অ্যাসিড ভাল মাত্রায় থাকে। এই উপাদানটি ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যায় যাঁরা প্রায়ই ভোগেন, তাঁরাও ত্বকে কাঁচা দুধ ব্যবহার করতে পারেন। সুফল পাবেন। 


ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনতেও ল্যাকটিক অ্যাসিড দারুণ উপকারী।


প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসাবে কাঁচা দুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। দুধে ভরপুর মাত্রায় ভিটামিন থাকে, যা ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। গরমে রোদ থেকে ফিরে ত্বক নিস্তেজ দেখায়। এ ক্ষেত্রে কাঁচা দুধ তুলোয় ভিজিয়ে লাগিয়ে নিতে পারেন।

No comments: