Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

এসকল কারণের জন্য আপনার কি কাজের সময় ঘুম পায়

 








একটি ভালো ঘুম আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  এই কারণে আমরা পরের দিন সতেজ থাকি, কিন্তু যদি এটি না হয়, তবে আমাদের দৈনন্দিন বা অফিসের কাজের সময় আমাদের ঘুম পেতে শুরু করে।


 তবে এর আরও অনেক কারণ থাকতে পারে।  যেমন চোখের উপর বেশি চাপ দেওয়া বা আমাদের কাজের পরিবেশে কম আলো দেওয়া ইত্যাদি, কিছু জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তন করে আমরা কাজের সময় ঘুমের সমস্যা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পেতে পারি।

 

 ঘুমের সাথে আমাদের স্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।  বৈধভাবে ঘুম থেকে ওঠার জন্য, তার আগে একটি ভালো ঘুম খুবই জরুরী।


 এর ফলে আমরা সারাদিন শুধু সতেজ বোধ করি না, আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলোও সহজে সম্পন্ন হয় এবং আমাদের মানসিক ভারসাম্যও বজায় থাকে।


 পুরনো আয়ুর্বেদিক গ্রন্থ থেকে আজকের আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান পর্যন্ত ঘুমের গুরুত্ব স্বীকৃত হয়েছে, কিন্তু কোনো কারণে যদি আমরা ভালোভাবে ঘুমতে না পারি, তাহলে তা আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে প্রভাব ফেলে।  তারপর সেটা ঘরের কাজই হোক, বাইরের বা অফিস-অফিস।


 আসলে, কাজ করার সময় ঘুমের অনেক কারণ থাকতে পারে।  এই সমস্যা এড়াতে, সমস্ত কার্যকর ব্যবস্থাও পাওয়া যায়।  যাতে কাজের সময় আমাদের ঘুম না আসে। 


 যা আমাদের কাজের সময় ঘুমের সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে এই টিপস গুলো জেনে নেওয়া যাক কী সেগুলো 


  হাঁটা চলা :

  অফিসের কাজ বা দৈনন্দিন কাজের মধ্যে ঘুমের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে ঘুম থেকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করা সবচেয়ে সহজ এবং সেরা সমাধান।


 লোকেরা প্রায়শই কাজের সময় ঘুমানোর সময় নিকোটিন বা ক্যাফেইনযুক্ত জিনিস গ্রহণ করে।  চা-কফি বা সিগারেটের মতো আমরাও তামাকজাত দ্রব্য খাওয়া শুরু করি, কিন্তু তার বদলে আমরা যদি সেই সময়ে ঘুম থেকে উঠে একটু হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলি, তাহলে ঘুম থেকে মুক্তির পাশাপাশি আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর ভালো প্রভাব ফেলবে।


 কারণ হাঁটার ফলে আমাদের মস্তিষ্ক এবং পুরো শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা আমাদের আবার সতেজ করে তোলে।  বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে ১০-১৫ মিনিট হাঁটা আমাদের দুই-তিন ঘন্টা শক্তি দিতে পারে।


 চোখের যত্ন :

 বর্তমানের দৌড়াদৌড়ির জীবনে, আমরা মোবাইল, কম্পিউটার এবং টিভিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, তবে আমাদের জানা উচিৎ যে তাদের স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো কেবল আমাদের ঘুমকে প্রভাবিত করে না, আমাদের চোখকে ক্লান্ত করে তোলে। 


এগুলো আমাদের চোখের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং আমাদের ঘুমের অনুভূতি জাগায়।  অতএব, এইরকম কিছু অনুভব করার সাথে সাথে আমাদের কিছুক্ষণের জন্য পর্দা থেকে দূরে সরে যাওয়া উচিৎ। 


এছাড়াও, গভীর রাত পর্যন্ত এই গ্যাজেটগুলি ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।  যাতে আমরা ভালো ঘুম নিতে পারি এবং পরের দিন আমরা সতেজ বোধ করতে পারি।

 

কাজের সময় ঘুমিয়ে পড়া:

 কাজের সময় ঘুমিয়ে পড়ার একটি কারণও হতে পারে আমাদের চারপাশে আলো কম থাকে।  বর্তমানে করোনার সময় থেকে আমাদের সমাজে ঘরে বসে কাজ করার প্রচলন বেড়েছে। 


 বেশিরভাগ মানুষ ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে নির্জন পরিবেশে কাজ করতে পছন্দ করেন।  তাদের মাঝখানে ঘর থেকে বের হয়ে সূর্যের আলোতে আসা উচিৎ।


  এ ছাড়া আমরা অনেকেই কম আলোতে কাজ করতে পছন্দ করি, তবে কাজ করার সময় ঘুমেরও এটি একটি কারণ হতে পারে।  অতএব, আপনি যদি এমন কোনও সমস্যার মুখোমুখি হন তবে আপনার কাজের জায়গায় পর্যাপ্ত আলো রাখুন।


 গভীর শ্বাস নেওয়া :

 হাঁটার সময় গভীর শ্বাস নিলে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়।  এইভাবে, গভীর শ্বাস নেওয়া আপনার হৃদয় এবং মনে অনেক স্বস্তি নিয়ে আসে।


 এটি আপনার মধ্যে একটি নতুন সতেজতা নিয়ে আসে।  আসলে, অক্সিজেন আমাদের শক্তি স্তরের নিয়ন্ত্রক। 


অতএব, কাজ করার সময় যখন আপনি ঘুমিয়ে পড়েন তখন গভীর শ্বাস নেওয়া এই সমস্যা এড়াতে একটি খুব কার্যকর উপায়।

No comments: